অবশেষে কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদকে ছেড়ে দিল পুলিশ

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে ঝিনাইদহের একটি হোটেল থেকে থানায় নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। পরে তাকে তার বাবার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

সোমবার বিকালের দিকে ঝিনাইদহ শহরের জেএসপি হোটেল থেকে আওয়ামী লীগের নেতারা তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ঝিনাইদহ শহরের জেএসপি হোটেল থেকে আওয়ামী লীগের নেতারা তাকে তুলে নিয়ে যায়। রাশেদ খান এখন ঝিনাইদহ সদর থানায় রয়েছে বলে তিনি জানান।স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকালে শহরের জেএফসি হোটেলে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে গল্প করছিলেন রাশেদ খান। এ সময় সেখানে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীরা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পুলিশ রাশেদ খানকে থানায় নিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান যুগান্তরকে জানান, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ (কোটা সংস্কার আন্দোলন) পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি। স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাকে থানায় আনা হয়েছিল।তিনি বলেন, রাশেদ খানকে তার বাবার মাধ্যমে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানের বাড়ি ঝিনাইদহের মুরারিদাহ গ্রামে। তার বাবার নাম বাবা নবাই বিশ্বাস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে রাশেদ খান সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই নির্বাচনে তাদের প্যানেলের নুর হোসেন নুর ভিপি পদে বিজয়ী হন। তবে তারাসহ মোট পাঁচ প্যানেল অনিয়মের অভিযোগ এনে পুনর্নির্বাচন দাবি করে।