যেখানেই যেতেন নামাজের ইমামতি করতেন কোরআনে হাফেজ মুরসি

আদালতের এজলাসে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসির আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত গোটা মুসলিম বিশ্ব।মঙ্গলবার তুরস্কের ৮১ প্রদেশে মুরসির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেসব জানাজায় অংশগ্রহণ করতে লাখো লাখো মানুষ জড়ো হয়েছেন মসজিদে। খবর ইয়েনি শাফাকের।ইস্তাম্বুলের ফাতিহ মসজিদে অনুষ্ঠিত জানাজায় হাজার হাজার মুসল্লির সঙ্গে মুরসির একনিষ্ঠ সমর্থক তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান অংশগ্রহণ করেছেন।

এরদোগান মুরসিকে ‘শহীদ’ বলে উল্লেখ করেছেন। এরদোগান ছিলেন মুরসির একনিষ্ঠ সমর্থক। দুজনের মতাদর্শেও অভিন্নতা দেখা গেছে। যোগত্যা ও বৈশিষ্ট্যেও তাদের মধ্যে মিল রয়েছে। মুরসি ছিলেন এরদোগানের মতোই একজন কোরআনে হাফেজ।তিনি যেখানেই যেতেন নিজে নামাজের ইমামতি করতেন। গত রমজানে কারাগারে তার ইমামতিতেই খতম তারাবিহ পড়েছে কারাবন্দিরা। সদ্যপ্রয়াত মুরসির রাজনৈতিক জীবন ও তার মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট হয়ে ওঠার পেছনের ইতিহাস নিয়ে কৌতূহলী হয়েছেন অনেকে।
পাঠকের উদ্দেশ্যে তা তুলে ধরা হলো-১৯৫১ সালের ২০ আগস্ট উত্তর মিসরের আল-আদওয়াহ প্রদেশে জন্ম হয় মুরসির। তার পুরো নাম মোহাম্মদ মুরসি ইসা আল-আইয়াত। ৭০ এর দশকে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ডক্টরেট ডিগ্রি​লাভ করেন। নিজের শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষক হিসাবেই প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন মুরসি