ঢাকা, আজ বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শ্রেষ্ঠ নেতা: এরদোগান

প্রকাশ: ২০১৯-১২-১৭ ১৫:৪৩:৪৫ || আপডেট: ২০১৯-১২-১৭ ১৫:৪৪:০৫

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ ও অনুসরণের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ নেতা বলে মন্তব্য করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়িব এরদোগান।

 

 

 

 

 

 

বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত একটি সভায় কীর্তিমান ঐতিহাসিক নেতাদের সম্পর্কে এক যুবকের করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন। ‘প্রতিটি মানুষই জ্ঞানী’ শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে আঙ্কারার বিলকেন্ট ইউনিভার্সিটি।

এরদোগান আরও বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের মধ্যে এমন অনেক মহান নেতা আছেন-যারা তার সময়ের কীর্তিমান পুরুষ হিসেবে গোটা বিশ্বেই প্রভাব সৃষ্টি করেছেন এবং আজও তারা ইতিহাসের উদাহরণ। তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ও আধুনিক তুরস্কের রূপকার মুস্তফা কামাল আতাতুর্কও এমনি একজন মহান নেতা।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

কাতারের আমির শায়েখ তামিম বিন হামদ আস সানিকেও বর্তমান সময়ের অন্যতম গ্রহণযোগ্য নেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন এরদোগান।

এরদোগান বলেন, শায়েখ তামিম প্রগতিশীল একজন যুবক নেতা, তার সবচে’ বড় গুণ হল, তিনি সবসময় দরিদ্র দেশসমূহের পাশে দাঁড়ান।

তবে ইউরোপের বিস্তৃত ভূখণ্ডে আদর্শিক কোন নেতাই নেই বলে মন্তব্য করেন এরদোগান। ‘আমি ইউরোপ জুড়ে বর্তমানে বাস্তবিক কোন নেতা দেখিনা।’ যোগ করেন এরদোগান।

প্রাক্তন জার্মান চ্যান্সেলর জেরহার্ড শ্রয়েডারকে একজন সফল নেতা আখ্যা দিয়ে এরদোগান বলেন, নেতৃত্বের গুণ খুব ভালভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন তিনি, আর সত্যবাদিতায় সে ওপরের সারির মহান এক নেতা ছিলেন।জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি চলছে। এরই মধ্যে খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

রিপোর্ট পেয়ে বিচারপতি বলেন, খালেদা জিয়ার যে রিপোর্টটি চাওয়া হয়ে ছিল সেটি অনুপস্থিত। এটি তার পুরনো রিপোর্ট। নতুনটি কোথায়?’ এরপরই তিনি খালেদার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার নতুন রিপোর্টটি পেশ করার আদেশ দেন।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের রায় ঘোষণা করবেন।

এর আগে শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের ৩০ জন করে আইনজীবী উপস্থিত থাকতে পারবেন বলে ঘোষণা দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। কিন্তু এজলাসে শুনানির সময় উভয় পক্ষের ৬০ জন আইনজীবী উপস্থিতি দেখে বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেনন।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

গত ৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে তার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল না করা নিয়ে ব্যাপক হৈ চৈ করেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। আজ অন্যান্য মামলার শুনানি চলাকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও খালেদা জিয়ার আইজনীবী খন্দকার মাহবুব হোসেনকে ডেকে প্রধান বিচারপতি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের ৩০ জন ও আসামিপক্ষের ৩০ জন করে মোট ৬০ জন আইনজীবীকে শুনানিতে আসতে।

গত ২৮ নভেম্বর খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা থাকলেও সেদিন তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানতে মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন চায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তা আদালতে আসার কথা ছিল।

তবে নির্ধারিত দিনে সেটি আদালতে না আসায় জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার জামিন প্রশ্নে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত এক সপ্তাহ পিছিয়ে যায়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রধান বিচারপতি সেদিন ১২ ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী তারিখ রেখে তার আগেই প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে অবশেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদন সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছায়।