ঢাকা, আজ বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সুনামগঞ্জের ওসির দৈনিক আয় ৩০ লাখ টাকা!

প্রকাশ: ২০১৯-১২-১৮ ২৩:০৩:৪৩ || আপডেট: ২০১৯-১২-১৮ ২৩:০৪:০৬

সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বি’রুদ্ধে দুদকে অ’ভিযোগ দেয়ার পর এবার তাহিরপুর থা’না পু’লিশের সাবেক ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) নন্দন কান্তি ধরের বি’রুদ্ধে দুদকে অ’ভিযোগ দেয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

 

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে দু’র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে ওসি নন্দন কান্তি ধরের বি’রুদ্ধে দু’র্নীতি ও চাঁদাবাজির অ’ভিযোগ দেন তাহিরপুর উপজে’লার উত্তর বন্দন এলাকার বাসিন্দা সেলিম ইকবাল।

দুদকে দেয়া অ’ভিযোগে বলা হয়, ওসি নন্দন কান্তি ধর ২০১৭ সালে তাহিরপুর উপজে’লায় যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি, মিথ্যা মা’মলা দিয়ে মানুষকে হয়’রানি ও রাষ্টীয় সম্পদ আত্মসাৎ করেছেন। একই সঙ্গে যাদুকা’টা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অ’বৈধ টাকার মালিক হয়েছেন ওসি নন্দন কান্তি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অ’ভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ওসি নন্দন কান্তি ধর ২০০ ড্রেজারের মালিক। প্রতিদিন ড্রেজার প্রতি ১৫ হাজার টাকা করে প্রায় ৩০ লাখ টাকা আয় করেছেন। গত তিন বছর তাহিরপুর থা’নার ওসি থাকা অবস্থায় করেছেন এসব টাকা অ’বৈধপথে অর্জন করেছেন তিনি।’সেলিম ইকবাল দুদকে দেয়া অ’ভিযোগ আরও উল্লেখ করেছেন, ওসি নন্দন কান্তি ধর তাহিরপুরে নদী খনন থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

জায়গা ভরাট করে দেয়ার নামে তাহিরপুর উপজে’লার বাসিন্দা মতুর্জা আলীর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিলেও জায়গা ভরাট করে দেননি ওসি নন্দন।

সেলিম ইকবাল অ’ভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, ওসি নন্দন কান্তি ধরের দু’র্নীতির পরিমাণ এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে অ’বৈধ টাকা দিয়ে ভা’রত, সিলেটে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। দু’র্নীতির অধিকাংশ টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

ওসি নন্দন কান্তি ধরের বি’রুদ্ধে কেউ কথা বললে বিভিন্ন ধরনের মা’মলা দিয়ে হয়’রানির হু’মকি দেন।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৯ সালে তাহিরপুর উপজে’লা থেকে বদলি হওয়ার পর বর্তমানে সুনামগঞ্জ পু’লিশ লাইন্সে কর্ম’রত আছেন নন্দন কান্তি ধর।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তাহিরপুর থা’না পু’লিশের সাবেক ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) নন্দন কান্তি ধর বলেন, আমা’র কোনো ড্রেজার মেশিন ছিল না, এখনো নেই। আমি আলী ম’র্তুজার কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি। আমা’র বি’রুদ্ধে দুদকে মিথ্যা অ’ভিযোগ দেয়া হয়েছে। দুদক অ’ভিযোগ ত’দন্ত করলে সত্যতা বেরিয়ে আসবে।এর আগে ১০ বছরে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। ক্ষমতার অ’পব্যবহার করে অনিয়ম-দু’র্নীতি, চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মাধ্যমে নামে-বেনামে এসব সম্পদ বানিয়েছেন তিনি। এ নিয়ে গত বুধবার (২০ নভেম্বর) এমপি মেয়াজ্জেম হোসেন রতনের বি’রুদ্ধে দুদকে অ’ভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মিজানুর রহমান সোহেল।

বিডি ম’র্নিং

Sharing is caring!