সরকারি আদেশ না মেনে জোর করে কিস্তি আদায়! চার এনজিও কর্মী আ’টক

banglarjay1banglarjay1
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  04:11 AM, 12 June 2020

গাইবান্ধা থেকে : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারি আদেশ না মেনে জো’র করে ঋ’ণের কিস্তি আদায় করায় দুই এনজিও’র ৪ জন মাঠকর্মীকে আ’টক করা হয়েছে। বুধবার বিকালে পৌরসভার পশ্চিম বাইপাস এলাকায় অভি’যান চালিয়ে তাদের আ’টক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এরপর সরকারি আদেশ অমা’ন্য করার দায়ে চার এনজিও কর্মীর প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরি’মানা আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান এ আদেশ দেন। আ’টকরা হলেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (আশা) এর মাঠকর্মী জাহাঙ্গীর আলম ও নুর আহম্মদ এবং বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সটেনশন সার্ভিস (বিজ) এর মাঠকর্মী শরিফুল ইসলাম ও ফজলে রাব্বি।

পরে তাদের কাছে জরিমানার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গেছে, চলমান করোনা পরি’স্থিতিতে চলতি বছরে জুন মাস পর্যন্ত সব ধ’রণের ঋণের কিস্তি আদায় ব’ন্ধে নির্দে’শ দিয়েছে সরকার। সরকারি নির্দে’শনা মানতে এনজিওগুলোকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়। কিন্তু সরকারের নির্দে’শনা না মেনে জো’র করে ঋ’ণের কি’স্তি আদায় করছে এনজিওগুলো।

এমনকি কি’স্তি আদায় করতে তাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে মাঠকর্মীরা। মুঠোফোনেও বার বার ফোন করে কিস্তির জন্য তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। পরে ঋণ গ্রহীতাদের অভিযো’গ পেয়ে সেখানে অভি’যান চালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অভি’যানে দুই এনজিওর চার জন মাঠকর্মীকে আ’টক করা হয়। পরে এইএনওর কার্যলয়ে হাজির করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাককে এক হাজার টাকা করে জরি’মানা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান।

বিষয়টি নি’শ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান বলেন, সরকারি আদে’শ অমা’ন্য করায় চারজন এনজিও কর্মীকে আ’টক করা হয়। পরে তাদের মোবাইল কোর্টে জরি’মানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমন না করতে সত’র্ক করা হয়েছে। নিউজ ডেস্ক : করোনাভাইরাস সং’ক্রমণ প’রিস্থিতির মধ্যেও দেশের জন্য, দেশের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মৃ’ত্যু যখন অবধারিত সেটাতে ভ’য় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভ’য় পাইনি। কখনো ভ’য় পাবো না। আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, একদিন সে জীবন নিয়ে যাবেন। তাই এই নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

আজ বুধবার ( ১০ জুন) জাতীয় সংসদে এক শো’ক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা করোনাভাইরাস মহামা’রির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশনে অংশ নেয়ায় নিজের আশ’ঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ আশ’ঙ্কার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসে ম’রি, গু’লি খেয়ে ম’রি, অ’সুস্থ হয়ে ম’রি, ম’রতে একদিন হবেই। এই মৃ’ত্যু যখন অবধারিত সেটাতে ভ’য় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভ’য় পাইনি। কখনো ভ’য় পাবো না। আমি যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি, সেটা ছিল সেই বাংলাদেশ, যেখানে আমার মা-বাবা, ভাই, বোন, শিশু ভাইটিকে পর্যন্ত হ’ত্যা করা হয়েছিল। আমাদের পরিবারের বহুজনের সদস্য বু’লেটবি’দ্ধ, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বু’লেটবিদ্ধ বা স্প্লি’ন্টার নিয়ে বেঁ’চে আছেন।

করোনায় কাজ হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জন্য সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সবার কাজ করার সুযোগ ছিল না। যারা নিয়মিত চাকরির বেতন পান তার বাইরে কিছু লোক থাকেন, যারা ছোটখাটো কাজ করে খান, ব্যবসা করে খান। এমন প্রতিটি মানুষের খবর নিয়ে তাদের ঘরে ঘরে খাবার দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। এমনকি রিকশার পেছনে যারা আর্ট করে, সংস্কৃতি কর্মী, তাদের কিছু সরকারিভাবে, কিছু আমাদের ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছি। আর্টিস্ট বা শিল্পী কিংবা শিল্পীদের সহযোগিতা করে যারা, তাদের কথা কেউ ভাবে না। এই ভাবনাটা কিন্তু আমার নিজের না, সত্যিকারের কথা বলতে কি- এটা শেখ রেহানার চিন্তা। সে-ই কিন্তু খুঁ’জে খুঁ’জে তাদের সাহায্য দেয়ার ব্যবস্থা করেছে।

‘প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কাছে এজন্য আলাদাভাবে ত্রাণ দিয়ে রেখেছি, যেন তারা সাহায্য পান। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা যে যেখানে আছে, যে যেটুকু পেরেছে প্রত্যেকেই সাহায্য করেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও সাহায্য করেছে।’

করোনাভাইরাসে মৃ’ত্যুর পর ম’রদে’হ গ্রহণ বা লা’শ দা’ফনের ক্ষেত্রে স্বজনদের অমানবিক আচরণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে কেউ মা’রা গেলে আত্মীয়-স্বজন লা’শ ফে’লে চলে যায়। সেই লা’শটা টানে পুলিশ। তারা নিয়ে কব’র দিচ্ছে, জা’নাজা দিচ্ছে। ভ’য়ে আপনজন কেউ থাকছে না। মানুষ ভী’ত হয়ে এরকম অমানবিক আচরণ করবে, এটাও কিন্তু দুঃ’খজনক। আরেকটি বিষয় আমি না বলে পারব না, যেমন আমাদের ছাত্রলীগ আমার নির্দেশে ধান কে’টেছে। এমনকি এই লা’শ নিয়ে এসে তাদের দা’ফনের ব্যবস্থা, যারা অসুস্থ তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেয়া, সেবা-শুশ্রুষা করার কাজগুলো কিন্তু ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ করে যাচ্ছে।

সরকারপ্রধান বলেন, আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, একদিন সে জীবন নিয়ে যাবেন। আর আল্লাহ মানুষকে কিছু কাজ দেন। সেই কাজটুকু যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ হয়তো আমি কাজ করে যাব। যখন কাজ শেষ হয়ে যাবে, সময় শেষ হবে, তখন আমি চলে যাব। তাই এই নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।-জাগো নিউজ

আপনার মতামত লিখুন :