মুসলিম ও ইহুদিদের এক সঙ্গে কাজ করা উচিত: সৌদি শীর্ষ আলেম শেখ ইসা

banglarjay1banglarjay1
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  04:20 AM, 12 June 2020

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের নেতা শেখ ড. মোহাম্মদ আল-ইসা বলেছেন ইহুদি ভাইবোনদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের সঙ্গে বোঝাপড়া, মর্যাদা, ভালবাসা ও আন্তঃসংযোগ গড়ে তুলে মুসলমানদের গর্ববোধ করা উচিত। জেরুজালেম পোস্ট

আল-ইসা তার এ বক্তব্য ভি’ডিওর মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দেয়া ওই বক্তব্যে তিনি বলেন, মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে সংলাপের যোগসূত্র গড়ে তোলা খুবই জরুরি। তাদের এক সঙ্গে কাজ করা উচিত সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্যে। শতাব্দীর পর শতাব্দী তারা একসঙ্গে বাস করলেও গত কয়েক দশক ধরে দুঃখজনকভাবে আমাদের মধ্যে বিভাজন চলছে।

ওয়ার্ল্ড লিগের নেতৃত্ব পাওয়ার পর এ লক্ষ্যেই তিনি কাজ করছেন জানিয়ে আল-ইসা বলেন সন্ত্রা’স, ঘৃ’ণা ও বি’দ্বেষ দূর করে মুসলিম ও ইহুদীদের মধ্যে অংদারীত্বের বন্ধন গড়ে তুলতে হবে। এ বছরের শুরুতে আল-ইসা পোল্যান্ডে অসউইৎজ কনসেনট্রেশন ক্যাম্প পরিদর্শন করে বলেছিলেন কোনো ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান, হিন্দু, শিখ বা ঈশ্বরের কোনো সন্তানের জন্যে হলোকাস্টের মত এমন বিয়োগান্তক ঘটনা যেন না ঘটে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইহুদিদের ওপর হা’মলার নিন্দা জানান আল-ইসা। তিনি বলেন, পিটাসবার্গ, সান ডিয়াগো, মুন্সে, নিউইয়ক, হ্যালে বা অন্য কোথাও হোক এধরনের হা’মলা মানবতার ওপর, যেন মুসলমানদের ওপরই হা’মলা। এক অনুষ্ঠানে কমব্যাট এ্যান্টি-সেমিটিজম মুভমেন্টের নেতা সাকা রথম্যান আল-ইসা’র হাতে ‘কমব্যাট এ্যান্টি-সেমিটিজম এ্যাওয়ার্ড ২০২০ তুলে দেন।গাইবান্ধা থেকে : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকারি আদেশ না মেনে জো’র করে ঋ’ণের কিস্তি আদায় করায় দুই এনজিও’র ৪ জন মাঠকর্মীকে আ’টক করা হয়েছে। বুধবার বিকালে পৌরসভার পশ্চিম বাইপাস এলাকায় অভি’যান চালিয়ে তাদের আ’টক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এরপর সরকারি আদেশ অমা’ন্য করার দায়ে চার এনজিও কর্মীর প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে জরি’মানা আদায় করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান এ আদেশ দেন। আ’টকরা হলেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (আশা) এর মাঠকর্মী জাহাঙ্গীর আলম ও নুর আহম্মদ এবং বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সটেনশন সার্ভিস (বিজ) এর মাঠকর্মী শরিফুল ইসলাম ও ফজলে রাব্বি।

পরে তাদের কাছে জরিমানার টাকা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা গেছে, চলমান করোনা পরি’স্থিতিতে চলতি বছরে জুন মাস পর্যন্ত সব ধ’রণের ঋণের কিস্তি আদায় ব’ন্ধে নির্দে’শ দিয়েছে সরকার। সরকারি নির্দে’শনা মানতে এনজিওগুলোকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়। কিন্তু সরকারের নির্দে’শনা না মেনে জো’র করে ঋ’ণের কি’স্তি আদায় করছে এনজিওগুলো।

এমনকি কি’স্তি আদায় করতে তাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে মাঠকর্মীরা। মুঠোফোনেও বার বার ফোন করে কিস্তির জন্য তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। পরে ঋণ গ্রহীতাদের অভিযো’গ পেয়ে সেখানে অভি’যান চালায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। অভি’যানে দুই এনজিওর চার জন মাঠকর্মীকে আ’টক করা হয়। পরে এইএনওর কার্যলয়ে হাজির করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে প্রত্যাককে এক হাজার টাকা করে জরি’মানা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান।

বিষয়টি নি’শ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান বলেন, সরকারি আদে’শ অমা’ন্য করায় চারজন এনজিও কর্মীকে আ’টক করা হয়। পরে তাদের মোবাইল কোর্টে জরি’মানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমন না করতে সত’র্ক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :