দুই ভাই মিলে সড়কের উপর রিকশার চেইন দিয়ে বৃদ্ধ চাচাকে পে’টালেন, ভিডিও ভাইরাল

banglarjay1banglarjay1
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  04:26 AM, 12 June 2020

কুমিল্লা: কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক বৃদ্ধকে টমটম থেকে না’মিয়ে জামা-কাপড় ছি’ড়ে ও বিব’স্ত্র করে নি’র্যা’তনের বিত’র্ক শেষ না হতেই এবার কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে দুই ভাই মিলে সড়কের উপর রিকশার চেইন দিয়ে বৃদ্ধকে নির্ম’মভাবে পে’টানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে পড়েছে।মারধরের শিকার বৃদ্ধ নূরুল আমিন (৭০) মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের ফুলপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ভিডিওতে দেখা যায়, নি’র্যা’তন থেকে বাঁ’চতে ওই বৃদ্ধ ‘মা, মাগো ও ভাতিজা’ বলে চিৎ’কার করলেও কেউ এ’গিয়ে আসেনি। পরে দৌঁ’ড়ে পা’লিয়ে তিনি র’ক্ষা চান। এরই মধ্যে এ ঘ’টনায় থানায় মামলা হলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ দুই ভাইকে আ’টক করতে পারেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্পত্তির বিরো’ধ নিয়ে আপন দুই ভাতিজা মাঈন উদ্দিন ও মনির হোসেন বৃদ্ধ চাচাকে পি’টিয়েছেন। অভি’যুক্ত মাঈন ও মনির ওই একই গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ আলমের ছেলে। মা’রধ’রের ঘ’টনাটি ঘ’টেছে স্থানীয় ফুলপুকুরিয়া গ্রামের মান্দারগাঁও বাজারের পাশে মনোহরগঞ্জ উপজেলা সড়কের উপর। পে’টানোর অভি’যোগে বৃদ্ধ নূরুল আমিন মনোহরগঞ্জ থানায় দুই অভি’যুক্তসহ চারজনের বিরুদ্ধে গত রোববার থানায় মামলা দায়ের করেন।

মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশের তদ’ন্ত পরিদর্শক মাহবুবুল কবির জানান, গত ২ জুন সম্পত্তির বিরো’ধে সড়কের উপর এক বৃদ্ধকে মা’রধ’রের ভিডিওধা’রণ এবং ঘ’টনার সাথে স’ম্পৃ’ক্ততা থাকায় রাসেল নামে ওই ব্যক্তিকে আ’টক করা হয়।পরবর্তীতে দেখা গেল আ’টক ব্যক্তির বিরু’দ্ধে পূর্বে চুরির মা’মলা রয়েছে। ওই মাম’লায় তাকে গ্রেফ’তার দেখিয়ে জেল হাজতে পা’ঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, মা’রধ’রের শি’কার বৃদ্ধ নূরুল আমিন ও তার ভাই খোরশেদ আলমের সাথে দীর্ঘদিন ধ’রে সম্পত্তি নিয়ে বিরো’ধ রয়েছে। পুকুরের পানি সেচ এবং মাছ নিয়ে নতুন বিরো’ধের জে’রে বৃদ্ধকে একা পেয়ে সড়কের উপর রিকশার চেইন দিয়ে নি’র্ম’মভাবে পি’টিয়ে আহ’ত করে খোরশেদ আলমের দুই ছেলে মাঈন ও মনির। মা’রধ’রের ভিডিওধা’রণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছে’ড়ে দেয়ায় এরই মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

আরো পড়ুনঃ কার্টুন দেখানোর কথা বলে ৫ বছরের শিশু’কে ধ’র্ষণ করল কিশোর!
মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মেসবাহ উদ্দিন ভুইয়া জানান, অভিযু’ক্ত মাঈন ও মনির এবং তাদের বাবা খোরশেদ আলমসহ চারজনের বিরু’দ্ধে মা’মলা করেছে মা’রধ’রের শি’কার বৃদ্ধ নূরুল আমিন। পুলিশ ঘ’টনাস্থ’লে গিয়ে আসা’মিদের পায়নি। তারা প’লা’তক রয়েছে। বৃদ্ধকে মা’রধ’রের ঘ’টনার সাথে জ’ড়িত সবাইকে গ্রেফ’তারের জন্য পুলিশ মাঠে অভি’যান চা’লাচ্ছে। তাদেরকে আইনে আও’তায় আনা হবে।

এদিকে প্রকা’শ্যে ওই বৃদ্ধকে নি’র্যাত’নের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ঘ’টনার সাথে জ’ড়ি’তদের অবিল’ম্বে গ্রেফতার ও বিচার দা’বি করেছেন স্থানীয় লোকজন।ফিলিস্তিনের জেরুসালেমে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হলেন যমজ চার বোন। মেধা, স্মৃতিশক্তি ও পড়াশোনায় তারা অনন্য। জেরুসালেমের নিকটস্থ উম্মে তুবা গ্রামে তাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। ওই যমজ চার বোনের নাম হচ্ছে—দিনা, দিমা, সুসান ও রাজান। তাদের বয়স এখন আঠারো।

একসঙ্গে তাদের পাঠশালায় যাওয়া ও পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে।

ফিলিস্তিনে অনুষ্ঠিত মাধ্যমিক পরীক্ষায় এই চার বোন কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। তাদের মা নাজাহ আল-শুনাইতি। তিনি জানান, আমার এই চার সন্তান যমজ হওয়ায় তাদের প্রায় সবকিছুতে মিল রয়েছে। তাদের পড়াশোনা ও জ্ঞানভিত্তিক তাড়নায় নিজেই অবাক হন নাজাহ।

চার হাফেজ সন্তানের জননী আরও বলেন, আমার এই চার সন্তানের মধ্যে অদ্ভুদ কিছু মিল রয়েছে। শৈশব থেকেই তারা একসঙ্গে থাকত, সব কাজ করত, অসুস্থ হতো, সুস্থ হতো, খেলাধুলা করত, একইরকম পোশাক পরতে চাইত।

চারজনেরই কালো রং পছন্দ। ফুটবল, বাস্কেটবল এবং ফিলিস্তিনি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ‘দাবাকা’ও পছন্দ করে চারজন। বিশ্ব ভ্রমণে বের হওয়া চারজনের স্বপ্ন।

তাই তাদের গ্রামের মসজিদে পাঠানো হয় কোরআন হিফজ করতে। নামাজ পড়ার জন্য একই রকমের পোশাকও কিনে দেয়া হয়।

নাজাহ জানান, তারা যখন ছোট ছিল তখন তাদের চারজনকে ভিন্ন ভিন্নভাবে চিনতে কষ্ট হতো। তাই চিনতে সহজ হওয়ার জন্য তিনি তাদের হাতে আলাদা রঙের উলের সুতা পরিয়ে দিতাম।তবে এখন আর তাদের চিনতে কষ্ট হয় না। কণ্ঠস্বর শুনেই আলাদা আলাদাভাবে তাদের চেনা যায়।

তবে এই চার হাফেজের জন্মের সময় চিকিৎসকরা নাজাহকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, এই চার যমজের দুইজনকে গর্ভপাত করে ফেলতে। কিন্তু গর্ভের সপ্তম মাসে চার বোনই সুস্থ অবস্থায় জন্ম নেয়।

নাজাহ বলেন, ছয় সন্তানের পর এই চার মেয়ে তার জীবন আলোকিত করেছে। ফিলিস্তিনের প্রসিদ্ধ কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসা বা প্রকৌশল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া স্বপ্ন দেখেন তারা।

0 0 Google +0 0 0

আপনার মতামত লিখুন :