তিন মাস ধরে আমি কোভিড রোগীর সেবা করছি, লা’শ ধোয়া এবং দা’ফন করছি আমার এখন পর্যন্ত কিছু হয় নাই

banglarjay1banglarjay1
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  02:38 PM, 14 June 2020

নিউজ ডেস্ক : রাজধানীর কোভিড হাসপাতালগুলোয় প্রতি রাতেই জন্ম নেয় নতুন নতুন গল্প। প্রিয়জন হারানোর বেদ’না যেমন অস্তিত্বের শে’কড় নাড়িয়ে দেয়, আবার নিজেকে বিপন্ন করে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার দৃষ্টান্তও আশা জাগায়।
null

null

null
রাতের নিস্তব্ধতায় ক্লান্ত নগর ঘুমের রাজ্যে বুঁদ। তবে নিদ্রাহীন এ চাঁদটার মতোই ঘুম নেই কারো কারো চোখে। কেউ জেগে আছেন উৎ’কণ্ঠায়, কেউ দায়িত্বের খাতিরে। হঠাৎই বুকফা’টা আ’র্তনাদ। কথা বলে জানা গেলে, করোনাযু’দ্ধে হার মেনে চিরবিদায় নিয়েছেন ভাই। null

null

nullবি’ফল হয়েছে ১৬ দিনের প্রচেষ্টা। এখন শুধুই ভোরের অপেক্ষা। আর অপেক্ষা ম’রদে’হের। ভুক্তভোগী জানান, তার পরিবারে ভাই ছিল একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার ম’রদে’হ সকালে ছাড়া দেবে না।
null

null

null
অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনে আবার ছেদ পড়ে নীরবতায়। রোগীবাহী গাড়ি দ্রুত ঢুকে পড়ে জরুরি বিভাগে। নিজেদের সুস্থতার পরোয়া না করা এ চালক আর স্বেচ্ছাসেবীর মতো মানুষেরাই রেখে চলেছেন মানবতার দৃষ্টান্ত।
null

null

null
এক অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার জানান, আগে প্রাইভেটকার চালাতাম। যখন দেখতে পেলাম বাবা-মার কাছে সন্তান যায় না তখন আমি ইচ্ছাকৃতভাবে করোনা রোগী বহন করার জন্য এ পেশায় আসলাম। আমার সঙ্গে অনেকে মেশেও না। পুরো রমজান মাস একা একা ইফতার করেছি। যে বাসায় থাকি সে বাসায় জানায়ওনি যে আমি এ গাড়ি চালায়। যদি জানায় তাহলে ওই বাসায় আমাকে রাখবে না।null

null

null

গল্পের শেষটা এখানেই নয়। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে খাবার নিয়ে হাজির বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। অপেক্ষারত স্বজন আর স্বাস্থ্যকর্মীদের ক্ষু’ধা নিবারণে এ প্রচেষ্টা। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এক কর্মী জানান, এতো রাতে কোনো দোকান খোলা থাকে না, যে কেউ খাবার কিনে খাবে। এ জন্য এসব null

null

nullকরোনা রোগী-স্বজনদের পাশে দাঁড়ানো। কিছুটা হলেও সাহায্য করা। এ কাজগুলো নিজের আত্মতৃপ্তির জন্য করা। মহামা’রি কাটিয়ে একদিন আবার উঠে দাঁড়াবে মানুষ। সেদিন সেবা ও সাহসিকতার ই গল্পগুলো পথ দেখাবে নতুন আলোয়।
null

null

null
কষ্টের রাতগুলো একটু দীর্ঘই হয়, হয় ক’ঠিন। তকে কোভিড যু’দ্ধকালীন এই সময়ের একটি রাতের গল্পই হয়তো প্রমাণ করে মহৎ কিছু প্রাণের সহাসিকতা আর মানবিকতার শক্তিতে শিগগিরই কেটে যাবে অন্ধকার। আসবে কোভিডমুক্ত সুন্দর একটি ভোর।-সময়টিভি

আপনার মতামত লিখুন :