করোনা জয় করে বাড়ি ফেরার ৫ দিন পর তরুণীর মৃত্যু

banglarjay1banglarjay1
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  09:48 AM, 16 June 2020

ভোলার তজমুদ্দিন উপজেলায় করোনা জয় করে বাড়ি ফেরার ৫ দিন পর শিরিনা আক্তার (২০) নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি ভোলা উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের কাজিকান্দি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের মেয়ে। গতকাল রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
null

null

null
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিরিনা আক্তারের করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর তার বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজন তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। তখন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন শিরিনার উন্নত চিকিৎসাসহ ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।
null

null

null
ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, শিরিনা আক্তার গত ৩১ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিয়ে করোনাভাইরাস জয় করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

আক্রান্ত সন্দেহে মাকে বাড়িতে ঢুকতে দিল না ছেলে

শুক্রবার নিজের বাড়িতে ফেরেন মহারাষ্ট্র থেকে ভারতের তেলেঙ্গানার বাসিন্দা কাট্টা শ্যামলয়া। কিন্তু করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, এমন সন্দেহে অশীতিপর ওই নারীকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতে দেননি তার ছেলে। শুধু বাড়ি ঢুকতে বাধা নয় স্ত্রীকে নিয়ে ভেতর থেকে দরজায় তালা দেন তিনি।
null

null

null
দেশটির গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন বলা হচ্ছে, রাজ্যের করিমনগরের বাসিন্দা শ্যামলয়া শুক্রবার বাড়িতে ফিরে ঘরে ঢুকতে চাইলে তার ছেলে ও পুত্রবধু জোর করে তাকে বের করে দেন। তারপর তালাবদ্ধ করেন বাড়ির দরজা। ফলে বৃদ্ধা উপায় না পেয়ে ব্যাগ নিয়ে বাড়ির বাইরে রাস্তায় বসে পড়েন।
null

null

null
দুই মাস আগে ওই বৃদ্ধা মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে করোনা প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় সরকার হঠাৎ দেশজুড়ে লকডাউন জারি করলে তিনি সেখানে আটকা পরেন। সম্প্রতি অন্য রাজ্যে আটকে পড়াদের ঘরে ফেরার অনুমতি দিলেন তিনিও বাড়ি ফেরেন।
null

null

null
শুক্রবার দুপুরের আগে বাড়িতে ফিরলেও ছেলে ও পুত্রবধূ তাকে বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেন। তিনি জানান, ওখানে সরকারিভাবে তার করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ফল নেগেটিভ। এছাড়া অন্য ঘরে একা থাকবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ছেলে ও পুত্রবধুকে রাজি করিয়ে ঘরে ঢুকতে ব্যর্থ হন তিনি।
null

null

null
উপায় না পেয়ে বাড়ির পাশে রাস্তায় বসে পড়েন তিনি। প্রতিবেশীরা কিছু খাবার ও পানির ব্যবস্থা করে দেয়। এই খবর শুনে স্থানীয় কাউন্সিলর পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন। বৃদ্ধার ছেলেকে বুঝিয়ে মাকে ঘরে ফিরিয়ে নিতে রাজি করালে অবশেষে ‍ঘরে ঢোকার অনুমতি মেলে তার।
null

null

null
তার ছেলে বলেন, ঘরে অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের কারণে তিনি এটা করেন। তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বৃদ্ধার দেহে করোনার কোনো উপস্থিতি ছিল না। তারা তার ছেলেকে এটা নিশ্চিত করেন। এছাড়া আরও বলেন, যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে ফের তার করোনা পরীক্ষা করানো হবে তার।
null

null

null

পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যুর খবর আমরা শুনেছি।

আপনার মতামত লিখুন :